বিনামূল্যে চক্ষুসেবা পেলেন ভাসানটেক-কড়াইল-সাততলা বস্তির প্রায় ১ হাজার মানুষ
রাজধানীর ভাসানটেক, কড়াইল ও সাততলা বস্তি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ছানি শনাক্তকরণ ও অপারেশন-সংক্রান্ত সেবা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করেন ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
এদিন তিনি চিকিৎসা ক্যাম্পটি পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার; ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ; পরিচালক (প্রোগ্রাম) প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম; পরিচালক (প্রোগ্রাম) কৃষিবিদ ড. খন্দকার মাহফুজুল হক বাচ্চু; পরিচালক প্রকৌশলী একেএম জহিরুল ইসলাম; আজীবন সদস্য রেজাউর রহমান চৌধুরী সুমন; ডা. সাঈদ মেহেবুব কাদির ও সোহেল আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা।
কর্মসূচিতে ভাসানটেক, কড়াইল ও সাততলা বস্তি এলাকার প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত নারী, পুরুষ ও শিশুকে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা সরবরাহের পাশাপাশি ছানি রোগীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়।

ডা. জুবাইদা রহমানের উদ্বোধন ও উপস্থিতি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী রোগী, চিকিৎসক, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
আয়োজকেরা জানান, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে নিম্নআয়ের মানুষের একটি বড় অংশ সময়মতো প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই কর্মসূচিটির আয়োজন করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারী রোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


























