ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিনামূল্যে চক্ষুসেবা পেলেন ভাসানটেক-কড়াইল-সাততলা বস্তির প্রায় ১ হাজার মানুষ Logo ক্লাব বদলাতে ব্যর্থ হয়ে এজেন্টকে ছাঁটাই করলেন মার্তিনেজ Logo লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করায় মধুপুর পীর সাহেবের কড়া প্রতিবাদ ও হুঁশিয়ারি Logo হংকংয়ে ২০০ কোটি ডলারের তহবিল গঠন করবে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী Logo চাঁদাবাজির সঙ্গে পুলিশের কোনও সদস্য জড়িত থাকলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সচল এক্সিলারেট, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ: একদিন আগেই এলো এলএনজিবাহী জাহাজ Logo পরীমণির গাড়ি বিতর্কে আলোচিত ‘মাসরুর’ পুতুলের সাবেক স্বামী Logo ১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ নারী Logo কলকাতার সেই হোটেল ‘শিখা ইন’ এর মালিক গ্রেপ্তার Logo তুরস্কের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে ইসরায়েল, যুদ্ধ কি সত্যিই আসছে

পরীমণির গাড়ি বিতর্কে আলোচিত ‘মাসরুর’ পুতুলের সাবেক স্বামী

নিজস্ব সংবাদ :
চিত্রনায়িকা তমা মির্জার এবি ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিনোদন জগত ও ব্যাংকিং খাতের মধ্যকার সম্পর্ক। এই আলোচনার সূত্রে তিন বছর আগের বহুল আলোচিত পরীমণির বিলাস বহুল গাড়ি উপহার পাওয়ার ঘটনাটি আবারও আলোচনায়। বিশেষ করে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনের নাম নতুন করে উঠে এসেছে।
সামাজিকমাধ্যমে প্রচারিত কিছু দাবি এবং গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে, পরীমণিকে গাড়ি উপহার দেওয়ার এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে পড়া ব্যক্তি সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন ছিলেন না। ওই ঘটনার মূল চরিত্র ছিলেন খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতু— যিনি ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রাক্তন স্বামী।
সূত্র অনুযায়ী, বোট ক্লাব কাণ্ডের পর বিতর্ক এড়াতে এবং তৎকালীন প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যকে রক্ষা করতে নাম গুলিয়ে ফেলার এই বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
সূত্র জানায়, তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ প্রকৃত সত্য আড়াল করতে খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতুর পরিবর্তে সিটি ব্যাংকের এমডির নাম সামনে নিয়ে আসেন। এর মাধ্যমে একদিকে তৎকালীন শেখ হাসিনা পরিবারের নাম আড়াল করা হয়, অন্যদিকে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিবাদের জের ধরে মাসরুর আরেফিনের নাম ছড়ানো হয়। এ ঘটনা জানাজানির পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে পারিবারিক অসন্তোষ দেখা দেয় এবং পুতুল ও মিতুর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের আগস্টে সংবাদমাধ্যমে মাসরুর আরেফিনের নাম প্রকাশিত হলে তিনি তখনই দৃঢ়ভাবে তা অস্বীকার করেন এবং জানান, পরীমণির সঙ্গে তার কোনো দিন দেখাও হয়নি। পরবর্তীতে ওই সংবাদমাধ্যমটি নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে প্রথম পাতায় দুঃখপ্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

পরীমণির গাড়ি বিতর্কে আলোচিত ‘মাসরুর’ পুতুলের সাবেক স্বামী

আপডেট সময় ১১:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
চিত্রনায়িকা তমা মির্জার এবি ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিনোদন জগত ও ব্যাংকিং খাতের মধ্যকার সম্পর্ক। এই আলোচনার সূত্রে তিন বছর আগের বহুল আলোচিত পরীমণির বিলাস বহুল গাড়ি উপহার পাওয়ার ঘটনাটি আবারও আলোচনায়। বিশেষ করে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনের নাম নতুন করে উঠে এসেছে।
সামাজিকমাধ্যমে প্রচারিত কিছু দাবি এবং গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে, পরীমণিকে গাড়ি উপহার দেওয়ার এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে পড়া ব্যক্তি সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন ছিলেন না। ওই ঘটনার মূল চরিত্র ছিলেন খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতু— যিনি ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রাক্তন স্বামী।
সূত্র অনুযায়ী, বোট ক্লাব কাণ্ডের পর বিতর্ক এড়াতে এবং তৎকালীন প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যকে রক্ষা করতে নাম গুলিয়ে ফেলার এই বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
সূত্র জানায়, তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ প্রকৃত সত্য আড়াল করতে খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতুর পরিবর্তে সিটি ব্যাংকের এমডির নাম সামনে নিয়ে আসেন। এর মাধ্যমে একদিকে তৎকালীন শেখ হাসিনা পরিবারের নাম আড়াল করা হয়, অন্যদিকে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিবাদের জের ধরে মাসরুর আরেফিনের নাম ছড়ানো হয়। এ ঘটনা জানাজানির পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে পারিবারিক অসন্তোষ দেখা দেয় এবং পুতুল ও মিতুর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের আগস্টে সংবাদমাধ্যমে মাসরুর আরেফিনের নাম প্রকাশিত হলে তিনি তখনই দৃঢ়ভাবে তা অস্বীকার করেন এবং জানান, পরীমণির সঙ্গে তার কোনো দিন দেখাও হয়নি। পরবর্তীতে ওই সংবাদমাধ্যমটি নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে প্রথম পাতায় দুঃখপ্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।