ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নেতানিয়াহুকে ধরতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ তুরস্ক, রেড নোটিশ জারির অনুরোধ Logo ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়ায় শেখ হাসিনার পতন: তথ্যমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের নতুন সচিব সালাহউদ্দিন নাগরী Logo তিন সচিব পদে পরিবর্তন Logo নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন Logo প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হতে হবে সমমর্যাদার: বিরোধীদলীয় নেতা Logo ধর্ষণের পর মাসহ শিশুকে হত্যা, কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার Logo প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব Logo দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুলের জীবনবৃত্তান্ত Logo নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

অনুমোদন ছাড়াই স্লিপার কোচ তৈরির মাশুল শুধুই জরিমানা

নিজস্ব সংবাদ :

অনুমোদনহীনভাবে স্লিপার কোচ তৈরি, সাধারণ বাসের কাঠামো পরিবর্তন এবং অনিবন্ধিত গ্যারেজে এসব যানবাহন মেরামতের বিরুদ্ধে চলতি আগস্টে একাধিক অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। রাজধানীর পাশাপাশি সিলেট ও কক্সবাজারেও অনুমোদনহীন স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও গ্যারেজে জরিমানা, কোথাও বাস জব্দ ও ডাম্পিং, আবার কোথাও চলাচলরত বাসের বিরুদ্ধে মামলা ও অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ গ্যারেজে তৈরি হওয়া স্লিপার কোচগুলো শেষ পর্যন্ত সড়ক ও মহাসড়কে চলাচল করছে। ফলে উৎপাদনস্থল ও মেরামতকেন্দ্রের পাশাপাশি সড়কে চলাচলরত অনুমোদনহীন বাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এরই মধ্যে স্লিপার কোচের বৈধতার বিষয়টি গড়িয়েছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। ২০২৫ সালে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান। গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিআরটিএ আদালতকে জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সড়কে ৮২৯টি অবৈধ স্লিপার বাস চলাচল করছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি তাদের সাম্প্রতিক অভিযানের বিষয়েও আদালতকে জানান।

রিটকারী আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান কালবেলাকে বলেন, রুল জারির পর বিআরটিএ মামলায় হাজির হয়ে এফিডেভিট ইন অপজিশন দিয়েছিল। সেখানে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কোনো স্লিপার বাস চলাচলের অনুমতি দেয়নি। অর্থাৎ বর্তমানে দেশের সড়কে চলাচলরত স্লিপার বাসগুলো অনুমোদনহীন। তিনি আরও বলেন, গত ২ জুলাই হাইকোর্ট বিআরটিএর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, অবৈধ বাসগুলোর বিষয়ে তারা কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে আদালতকে তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায়ই এখন বিআরটিএ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ গত বুধবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সামির মৃধা জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত-৫। অনুমোদনহীন স্লিপার কোচের কাঠামো তৈরি, বাসের কাঠামো পরিবর্তন এবং অবৈধ গ্যারেজ পরিচালনার অভিযোগে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগের দিন মঙ্গলবার রাজধানীর গাবতলীর আমিনবাজার ও মানিকনগর এলাকার বিভিন্ন বডি বিল্ডিং গ্যারেজে অভিযান চালায় বিআরটিএ। সংস্থাটির আদালত-৬ ও আদালত-৩-এর সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০ থেকে ১২টি গ্যারেজ পরিদর্শন করা হয়। অনুমোদনহীন স্লিপার বাস মেরামত এবং প্রয়োজনীয় নিবন্ধন না থাকায় চারটি গ্যারেজকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মেরামতের সময় ৮টি গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয় এবং চলাচলের অনুপযোগী দুটি স্লিপার বাস জব্দ করা হয়। এ সময় ‘নিউ ডিসেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামের একটি বডি গ্যারেজ সিলগালা করেন কর্মকর্তারা।

রাজধানীর বাইরে একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে সিলেটে। গত মঙ্গলবার সিলেট নগরের কদমতলী এলাকায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ যৌথ অভিযান চালায়। অনুমোদন ছাড়া স্লিপার বাস সার্ভিস পরিচালনা এবং বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে পাঁচটি দূরপাল্লার বাসের বিরুদ্ধে মামলা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানান, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো মোটরযানের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, সিট বিন্যাস কিংবা মূল অবয়ব পরিবর্তন করা সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

সাম্প্রতিক অভিযানগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সমস্যা শুধু অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ চলাচলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ বাসের কাঠামো পরিবর্তন করে স্লিপার বাসে রূপান্তর, অনিবন্ধিত গ্যারেজে এসব যানবাহন তৈরি বা মেরামত এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি অনুমোদন ছাড়াই সড়কে পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে। অর্থাৎ গ্যারেজ, ওয়ার্কশপ ও সড়কে চলাচলরত বাস—তিন পর্যায়েই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, শুধু গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ নির্মাণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ এসব কোচ গ্যারেজে পড়ে থাকে না; তৈরি হওয়ার পর মহাসড়কে চলাচল করে। তাই গ্যারেজে নজরদারির পাশাপাশি মহাসড়কেও কঠোর নজরদারি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিআরটিএ, পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি), ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

রিটকারী আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান প্রতিবেদককে বলেন, বিআরটিএ যেহেতু আদালতে জানিয়েছে তারা কোনো স্লিপার বাস চলাচলের অনুমতি দেয়নি, তাহলে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত প্রতিটি স্লিপার বাসই অনুমোদনহীন। বিআরটিএ চাইলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা সিভিল প্রশাসনের সহায়তায় যে কোনো সময় এসব বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৫২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

অনুমোদন ছাড়াই স্লিপার কোচ তৈরির মাশুল শুধুই জরিমানা

আপডেট সময় ০২:৫২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

অনুমোদনহীনভাবে স্লিপার কোচ তৈরি, সাধারণ বাসের কাঠামো পরিবর্তন এবং অনিবন্ধিত গ্যারেজে এসব যানবাহন মেরামতের বিরুদ্ধে চলতি আগস্টে একাধিক অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। রাজধানীর পাশাপাশি সিলেট ও কক্সবাজারেও অনুমোদনহীন স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও গ্যারেজে জরিমানা, কোথাও বাস জব্দ ও ডাম্পিং, আবার কোথাও চলাচলরত বাসের বিরুদ্ধে মামলা ও অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ গ্যারেজে তৈরি হওয়া স্লিপার কোচগুলো শেষ পর্যন্ত সড়ক ও মহাসড়কে চলাচল করছে। ফলে উৎপাদনস্থল ও মেরামতকেন্দ্রের পাশাপাশি সড়কে চলাচলরত অনুমোদনহীন বাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এরই মধ্যে স্লিপার কোচের বৈধতার বিষয়টি গড়িয়েছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। ২০২৫ সালে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান। গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিআরটিএ আদালতকে জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সড়কে ৮২৯টি অবৈধ স্লিপার বাস চলাচল করছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি তাদের সাম্প্রতিক অভিযানের বিষয়েও আদালতকে জানান।

রিটকারী আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান কালবেলাকে বলেন, রুল জারির পর বিআরটিএ মামলায় হাজির হয়ে এফিডেভিট ইন অপজিশন দিয়েছিল। সেখানে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কোনো স্লিপার বাস চলাচলের অনুমতি দেয়নি। অর্থাৎ বর্তমানে দেশের সড়কে চলাচলরত স্লিপার বাসগুলো অনুমোদনহীন। তিনি আরও বলেন, গত ২ জুলাই হাইকোর্ট বিআরটিএর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, অবৈধ বাসগুলোর বিষয়ে তারা কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে আদালতকে তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায়ই এখন বিআরটিএ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ গত বুধবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সামির মৃধা জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত-৫। অনুমোদনহীন স্লিপার কোচের কাঠামো তৈরি, বাসের কাঠামো পরিবর্তন এবং অবৈধ গ্যারেজ পরিচালনার অভিযোগে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগের দিন মঙ্গলবার রাজধানীর গাবতলীর আমিনবাজার ও মানিকনগর এলাকার বিভিন্ন বডি বিল্ডিং গ্যারেজে অভিযান চালায় বিআরটিএ। সংস্থাটির আদালত-৬ ও আদালত-৩-এর সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০ থেকে ১২টি গ্যারেজ পরিদর্শন করা হয়। অনুমোদনহীন স্লিপার বাস মেরামত এবং প্রয়োজনীয় নিবন্ধন না থাকায় চারটি গ্যারেজকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মেরামতের সময় ৮টি গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয় এবং চলাচলের অনুপযোগী দুটি স্লিপার বাস জব্দ করা হয়। এ সময় ‘নিউ ডিসেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামের একটি বডি গ্যারেজ সিলগালা করেন কর্মকর্তারা।

রাজধানীর বাইরে একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে সিলেটে। গত মঙ্গলবার সিলেট নগরের কদমতলী এলাকায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ যৌথ অভিযান চালায়। অনুমোদন ছাড়া স্লিপার বাস সার্ভিস পরিচালনা এবং বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে পাঁচটি দূরপাল্লার বাসের বিরুদ্ধে মামলা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানান, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো মোটরযানের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, সিট বিন্যাস কিংবা মূল অবয়ব পরিবর্তন করা সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

সাম্প্রতিক অভিযানগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সমস্যা শুধু অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ চলাচলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ বাসের কাঠামো পরিবর্তন করে স্লিপার বাসে রূপান্তর, অনিবন্ধিত গ্যারেজে এসব যানবাহন তৈরি বা মেরামত এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি অনুমোদন ছাড়াই সড়কে পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে। অর্থাৎ গ্যারেজ, ওয়ার্কশপ ও সড়কে চলাচলরত বাস—তিন পর্যায়েই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, শুধু গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ নির্মাণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ এসব কোচ গ্যারেজে পড়ে থাকে না; তৈরি হওয়ার পর মহাসড়কে চলাচল করে। তাই গ্যারেজে নজরদারির পাশাপাশি মহাসড়কেও কঠোর নজরদারি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিআরটিএ, পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি), ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

রিটকারী আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান প্রতিবেদককে বলেন, বিআরটিএ যেহেতু আদালতে জানিয়েছে তারা কোনো স্লিপার বাস চলাচলের অনুমতি দেয়নি, তাহলে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত প্রতিটি স্লিপার বাসই অনুমোদনহীন। বিআরটিএ চাইলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা সিভিল প্রশাসনের সহায়তায় যে কোনো সময় এসব বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।