ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের স্ত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে Logo নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার Logo নারীরা কি গাড়ি চালাতে পারবেন, ইসলাম কী বলে Logo এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত, কর্তার ইচ্ছাই কর্ম হবে: অলি আহমদ Logo বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য দিল্লি­ অপেক্ষা করছে: দীনেশ ত্রিবেদী Logo চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য নিয়ে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২ Logo মির্জা ফখরুল আগাগোড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব: অর্থমন্ত্রী Logo নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo সৌদির আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া Logo কৃষকদের জন্য নতুন তহবিল : ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ

চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য নিয়ে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২

নিজস্ব সংবাদ :

যশোরে চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। বুধবার দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- শাহীনুর রহমান শাহিন (৫০) ও সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। শাহীন একটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার এবং সঞ্জয় একই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড প্রমোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর শহরের একটি শোরুমে পোশাক কেনার সময় ওই চিকিৎসক ক্রেডিট কার্ড দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন। লেনদেনে জটিলতার কারণে প্রায় ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে। এর কয়েকদিন পর ৩১ ডিসেম্বর এক ব্যক্তি ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে কার্ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথা জানান। কার্ড সচল করার কথা বলে তিনি চিকিৎসকের কাছ থেকে কার্ডের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।

এরপর রাতেই সাতটি লেনদেনের মাধ্যমে চিকিৎসকের অ্যাকাউন্ট থেকে ছয়টি এমএফএস নম্বরে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মার্চ কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।

সিআইডির তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পূর্বে গ্রেফতার আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে শাহীন ও সঞ্জয়সহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তদন্তে জানা যায়- শাহীন মোবাইল অপারেটরের সুপারভাইজার থাকাকালে ব্র্যান্ড প্রমোটারদের মাধ্যমে গ্রাহকদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট একাধিকবার সংগ্রহ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করাতেন। এসব সিম দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হতো। পরে সেগুলো ক্রেডিট কার্ড ও বিকাশসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতারণায় ব্যবহার করা হতো বলে জানিয়েছে সিআইডি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চক্রটির অন্য সদস্য ও একই পদ্ধতিতে প্রতারণার শিকার আরও কেউ রয়েছেন কিনা, তা তদন্ত করছে সিআইডি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য নিয়ে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ১১:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। বুধবার দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- শাহীনুর রহমান শাহিন (৫০) ও সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। শাহীন একটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার এবং সঞ্জয় একই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড প্রমোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর শহরের একটি শোরুমে পোশাক কেনার সময় ওই চিকিৎসক ক্রেডিট কার্ড দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন। লেনদেনে জটিলতার কারণে প্রায় ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে। এর কয়েকদিন পর ৩১ ডিসেম্বর এক ব্যক্তি ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে কার্ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথা জানান। কার্ড সচল করার কথা বলে তিনি চিকিৎসকের কাছ থেকে কার্ডের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।

এরপর রাতেই সাতটি লেনদেনের মাধ্যমে চিকিৎসকের অ্যাকাউন্ট থেকে ছয়টি এমএফএস নম্বরে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মার্চ কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।

সিআইডির তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পূর্বে গ্রেফতার আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে শাহীন ও সঞ্জয়সহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তদন্তে জানা যায়- শাহীন মোবাইল অপারেটরের সুপারভাইজার থাকাকালে ব্র্যান্ড প্রমোটারদের মাধ্যমে গ্রাহকদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট একাধিকবার সংগ্রহ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করাতেন। এসব সিম দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হতো। পরে সেগুলো ক্রেডিট কার্ড ও বিকাশসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতারণায় ব্যবহার করা হতো বলে জানিয়েছে সিআইডি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চক্রটির অন্য সদস্য ও একই পদ্ধতিতে প্রতারণার শিকার আরও কেউ রয়েছেন কিনা, তা তদন্ত করছে সিআইডি।