ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

নিজস্ব সংবাদ :

বিশাল ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগে’ রান্না হচ্ছে খিচুড়ি। ভক্তদের বিশ্বাস, এই খিচুড়ি খেলেই মিলবে রোগবালাই থেকে আরোগ্য, আবার কারও ভাগ্যে জুটতে পারে বহু প্রতীক্ষিত সন্তানের সুখ। এমন বিশ্বাস আর আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যের টানে প্রতিবছরই দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসেন এই তবারক খেতে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা ইমামবাড়ী দরবার শরীফে বিশাল চুলায় কাঠ-বাঁশের লাকড়ি জ্বালিয়ে চলে রান্না। চাল, ডাল, সবজি ও মসলা মিশিয়ে টানা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় তৈরি হয় ১০১ মণ খিচুড়ি।

দরবার সংশ্লিষ্টদের দাবি, ভারতের আজমির শরীফে ২৭০ জন পীরের মধ্যে লটারির মাধ্যমে এই ড্যাগে খিচুড়ি রান্নার নির্দেশ পান পীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এরপর নয় বছর ধরে চলে আসছে এই বরকতি ড্যাগের আয়োজন।

প্রতিবছর ভাদ্র ও মাঘ মাসে দুই দফায় রান্না হয় ১০১ মণ করে খিচুড়ি। তবারক নিতে রাজশাহী, রংপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, ঢাকা, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসে অসংখ্য মানুষ। মুসলিমদের পাশাপাশি আসেন অন্য ধর্মের অনুসারীরাও।

৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের তবারকের আয়োজন হয় এই ১০১ মণের ড্যাগে। তাই এটি শুধু খিচুড়ির পাতিল নয়, ভক্তদের কাছে ‘খাজার ড্যাগ’, ‘বরকতি ড্যাগ’ কিংবা ‘রহমতি ড্যাগ’। আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যে প্রতি বছরই যার টানে বাড়ছে মানুষের সমাগম।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
১৫ বার পড়া হয়েছে

১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

আপডেট সময় ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

বিশাল ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগে’ রান্না হচ্ছে খিচুড়ি। ভক্তদের বিশ্বাস, এই খিচুড়ি খেলেই মিলবে রোগবালাই থেকে আরোগ্য, আবার কারও ভাগ্যে জুটতে পারে বহু প্রতীক্ষিত সন্তানের সুখ। এমন বিশ্বাস আর আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যের টানে প্রতিবছরই দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসেন এই তবারক খেতে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা ইমামবাড়ী দরবার শরীফে বিশাল চুলায় কাঠ-বাঁশের লাকড়ি জ্বালিয়ে চলে রান্না। চাল, ডাল, সবজি ও মসলা মিশিয়ে টানা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় তৈরি হয় ১০১ মণ খিচুড়ি।

দরবার সংশ্লিষ্টদের দাবি, ভারতের আজমির শরীফে ২৭০ জন পীরের মধ্যে লটারির মাধ্যমে এই ড্যাগে খিচুড়ি রান্নার নির্দেশ পান পীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এরপর নয় বছর ধরে চলে আসছে এই বরকতি ড্যাগের আয়োজন।

প্রতিবছর ভাদ্র ও মাঘ মাসে দুই দফায় রান্না হয় ১০১ মণ করে খিচুড়ি। তবারক নিতে রাজশাহী, রংপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, ঢাকা, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসে অসংখ্য মানুষ। মুসলিমদের পাশাপাশি আসেন অন্য ধর্মের অনুসারীরাও।

৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের তবারকের আয়োজন হয় এই ১০১ মণের ড্যাগে। তাই এটি শুধু খিচুড়ির পাতিল নয়, ভক্তদের কাছে ‘খাজার ড্যাগ’, ‘বরকতি ড্যাগ’ কিংবা ‘রহমতি ড্যাগ’। আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যে প্রতি বছরই যার টানে বাড়ছে মানুষের সমাগম।