ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের স্ত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে Logo নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার Logo নারীরা কি গাড়ি চালাতে পারবেন, ইসলাম কী বলে Logo এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত, কর্তার ইচ্ছাই কর্ম হবে: অলি আহমদ Logo বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য দিল্লি­ অপেক্ষা করছে: দীনেশ ত্রিবেদী Logo চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য নিয়ে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২ Logo মির্জা ফখরুল আগাগোড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব: অর্থমন্ত্রী Logo নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo সৌদির আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া Logo কৃষকদের জন্য নতুন তহবিল : ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

নতুন কাঠামোয় একটি হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং অন্যটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজস্ব নীতি বিভাগ সরকারের ‘থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করবে। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত এই প্রতিষ্ঠান একটি ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিযোগিতামূলক ও উন্নয়নবান্ধব কর কাঠামো প্রণয়ন করবে। অন্যদিকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হবে ‘অ্যাকশন টিম’, যারা কার্যকরভাবে রাজস্ব আদায় করবে।

তিনি বলেন, কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। রাজস্ব নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদ, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, গবেষক এবং শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার বাড়লেও সেই অনুপাতে রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বাড়েনি। এই ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর শুধু বাড়তি করের বোঝা চাপানো যাবে না। বরং করের আওতা বাড়ানো, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করা, কর ফাঁকি ও কর পরিহার বন্ধ এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করদাতাদের কমপ্লায়েন্স বাড়াতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যটি উচ্চাভিলাষী হলেও তা ইচ্ছাকৃতভাবেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায়। উন্নয়নের অর্থায়ন নিজেদের সম্পদ থেকেই করতে হবে।

এনবিআর পুনর্গঠনের মাধ্যমে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম আলাদা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান দুটিতে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:১৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

নতুন কাঠামোয় একটি হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং অন্যটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজস্ব নীতি বিভাগ সরকারের ‘থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করবে। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত এই প্রতিষ্ঠান একটি ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিযোগিতামূলক ও উন্নয়নবান্ধব কর কাঠামো প্রণয়ন করবে। অন্যদিকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হবে ‘অ্যাকশন টিম’, যারা কার্যকরভাবে রাজস্ব আদায় করবে।

তিনি বলেন, কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। রাজস্ব নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদ, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, গবেষক এবং শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার বাড়লেও সেই অনুপাতে রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বাড়েনি। এই ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর শুধু বাড়তি করের বোঝা চাপানো যাবে না। বরং করের আওতা বাড়ানো, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করা, কর ফাঁকি ও কর পরিহার বন্ধ এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করদাতাদের কমপ্লায়েন্স বাড়াতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যটি উচ্চাভিলাষী হলেও তা ইচ্ছাকৃতভাবেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায়। উন্নয়নের অর্থায়ন নিজেদের সম্পদ থেকেই করতে হবে।

এনবিআর পুনর্গঠনের মাধ্যমে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম আলাদা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান দুটিতে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।